শ্রীদেবীকে হারানোর ৪ বছর

|

অভিনয় দিয়ে ভক্তদের হৃদয়ে যে শক্ত অবস্থান সৃষ্টি করে গেছেন, তা ভুলে যাওয়া এতটা সহজ নয়। বলিউডের সব হিট সিনেমার তালিকা করলে তার নাম উঠে আসবেই। শুধু বক্স অফিসেই নয়, দর্শকদের ওপরও স্থায়ী ছাপ ফেলেছে।

যদি বলা হয়, বলিউডের প্রথম নারী সুপারস্টার কে? তবে উত্তর হবে শ্রীদেবী। অভিব্যক্তি, অভিনয় দক্ষতা এবং নাচের দক্ষতা দিয়ে বলিউড শাসন করেছিলেন দীর্ঘ সময় ধরে। প্রতিভার পাওয়ার হাউস এবং সৌন্দর্যের প্রতীক শ্রীদেবী অভিনয়জীবনের সূচনা মাত্র চার বছর বয়সে ‘কান্ধন করুণাই’ দিয়ে শিশু শিল্পী হিসেবে।

তারপর প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে তার প্রথম হিন্দি ছবি ছিল ‘রানি মেরা নাম’। সিনেমাটি ১৯৭২ সালে মুক্তি পায়। ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে তিনি প্রায় ৩০০টি চলচ্চিত্রে কাজ করেন। পাঁচ দশক ধরে হিন্দি চলচ্চিত্রে রাজত্ব করেছেন এই নায়িকা।

আশির দশকের শেষের দিকে এবং ৯০-এর দশকের প্রথম দিকের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেত্রী ছিলেন এই সুপারস্টার। শ্রীদেবীকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল–কেন তিনি অভিনেত্রী হতে চেয়েছেন? উত্তরে তিনি বলেন, ‘কারণ, আমি নাচতে ভালোবাসি।

আমি চলচ্চিত্র থেকে খ্যাতি এবং অর্থ থেকে যে তৃপ্তি পাই, তা-ও পছন্দ করি।’ ৯০-এর দশকের শুরুতে গুজব ছড়িয়েছিল–চিরসবুজ এই নায়িকা তরুণ থাকার জন্য ইনজেকশন নিচ্ছেন। যদিও তা অস্বীকার করেছিলেন শ্রীদেবী।

কিংবদন্তি এই অভিনেত্রী ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সালে মারা যান। মাত্র ৫৮ বছর বয়সে তার মৃত্যু গোটা জাতিকে নাড়া দিয়েছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এসেছিল বাথটাবের পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছিল।

চাঁদনি, চালবাজ, মিস্টার ইন্ডিয়া, লাডলা, জুদাই এবং ইংলিশ ভিংলিশের মতো বিখ্যাত সব সিনেমা তাকে করে রেখেছে চিরস্মরণীয়।




Leave a reply