চীনকে ইউক্রেন কি অনুরোধ করলেন?

|

রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসন বন্ধে মস্কোর সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ককে কাজে লাগাতে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউক্রেন। মঙ্গলবার (১ মার্চ) চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-কে এমন অনুরোধ জানিয়েছেন ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা।

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা করতে বেইজিং প্রস্তুত রয়েছে বলে কুলেবাকে জানিয়েছেন ওয়াং। এদিকে কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, রাজধানীর উপকণ্ঠে শত্রুরা অবস্থান করছে। কিয়েভকে রক্ষায় প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী।

মঙ্গলবার (১ মার্চ) এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী, স্থল প্রতিরক্ষা বাহিনী ঐতিহাসিকভাবেই আমাদের ভূখণ্ডের জন্য লড়াই করে আসছেন।

রুশ সাঁজোয়া যান, ট্যাংক ও কামানের চল্লিশ মাইল সামরিক বহর নিয়ে কিয়েভের উপকণ্ঠে অবস্থান করছে রুশ বাহিনী। এদিকে কিয়েভের বাসিন্দাদের হুঁশিয়ারি করে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানীর লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

কিয়েভের মেয়র আরও বলেন, শহরের প্রবেশপথগুলোতে দুর্গ ও তল্লাশিচৌকি স্থাপন করা হয়েছে। সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রয়োজন না-হলে ঘরের বাইরে বের হবেন না। আশ্রয়কেন্দ্রেও চলে যেতে পারেন।

মঙ্গলবার বিকালে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের নিরাপত্তা সেবা ও ৭২তম প্রধান সাইঅপস কেন্দ্রের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী।

এতে ইউক্রেনের নাগরিকদের এসব জায়গা থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে তথ্য-হামলা বন্ধেও অভিযান চলছে। যদিও রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণাকে মনস্তাত্ত্বিক লড়াই বলে আখ্যায়িত করেছে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, রাশিয়ার প্রথম পরিকল্পনা হচ্ছে যোগাযোগকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া। এরপর ইউক্রেনের সামরিক রাজনৈতিক নেতাদের আত্মসমর্পণ নিয়ে তারা ব্যাপক ভুয়া খবর ছড়িয়ে দেবে।

ইউক্রেনে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রতিনিধি বলছেন, রুশ আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।




Leave a reply