রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে ব্রিটিশ সেনারা ইউক্রেনে যাবে না : বরিস জনসন

|

ইউক্রেনে রাশিয়ান সেনাবাহিনীর আগ্রাসন দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের সপ্তম দিন চলছে। রুশ বাহিনীর আগ্রাসন প্রতিহত করতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেনীয় সেনারা।

এদিকে এই যুদ্ধে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে মিত্র দেশগুলো। ইতোমধ্যে দেশটিতে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তা করছে তারা। এদিকে ইউক্রেনে অস্ত্র সহায়তা দিলেও রাশিয়ার বিপক্ষে যুদ্ধ করতে সেখানে সেনা পাঠাবে না যুক্তরাজ্য। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বরিস জনসন বলেন, আমি এই বিষয়টি পরিষ্কার করতে চাই যে ইউক্রেনে গিয়ে রাশিয়ার সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না আমাদের সেনারা। এখানে টাপায় (এস্তোনিয়ার একটি শহর) যেমন সেনা বাড়ানো হয়েছে, ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর সীমান্তের মধ্যেই সামরিক শক্তি বাড়ানো হবে এবং এটি খুবই সঠিক একটি কাজ। আত্মরক্ষামূলক নীতির বাইরে কিছু হবে না। ন্যাটোর ৭০ বছরের ইতিহাস এটাই।

এস্তোনিয়া সফরকালে এ কথা বলেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি বলেন, পূর্বাঞ্চলীয় মিত্রপক্ষের এলাকায় ন্যাটোর বাড়তি সামরিক উপস্থিতি অবশ্যই সদস্য দেশগুলোর সীমানার মধ্যে থাকবে। ইউক্রেনে গিয়ে রাশিয়ার সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না ব্রিটিশ সেনাবাহিনী।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার সকালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাতে রুশ বাহিনীকে নির্দেশ দেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর থেকে ইউক্রেনে একের পর এক হামলা চালাতে থাকেন রুশ বাহিনী। রুশ বাহিনীর আগ্রাসন প্রতিহত করতে লড়ছে ইউক্রেনের সেনারা।




Leave a reply