লোকসানের মুখে আদা চাষিরা

|

উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে আদা বিক্রি করে লোকসানে রাঙামাটির চাষিরা। আমদানি করা আদার কারণে দেশি আদার দর কমে গেছে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা। অবশ্য ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছে কৃষি বিভাগ।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় রাঙামাটির পাহাড়ি জুমের প্রধান ফসলের মধ্যে একটি আদা। সারি সারি পাহাড়ের গাঘেঁষে মাসের পর মাস আদা পরিচর্যায় সময় ব্যয় করছেন চাষিরা।

তবে বেশ কয়েক বছর ধরে আদা চাষে লোকসানে কৃষকরা। তারা জানান, প্রতি কেজি আদা উৎপাদনে প্রায় ৪০ টাকা খরচ হলেও বিক্রি করতে হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বিদেশ থেকে আদা আমদানির কারণে পাইকারি বাজারে দেশি আদার দাম কমে গেছে।

এ অবস্থায় চাষিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কৃষি বিভাগ।

রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক তপন কুমার পাল বলেন, ‘কৃষি অধিদফতরের পক্ষ থেকে আদা চাষিদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছর রাঙামাটিতে ৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে ৩৯ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন আদা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আদা একটি উদ্ভিদ মূল যা মানুষের মসলা এবং ভেষজ ওষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।[১] মশলা জাতীয় ফসলের মধ্যে আদা অন্যতম। আদা খাদ্যশিল্পে, পানীয় তৈরীতে, আচার, ঔষধ ও সুগন্ধি তৈরীতে ব্যবহার করা হয়। আদা সেই প্রথম মশালাগুলির মধ্যে একটি যা এশিয়া থেকে ইউরোপে রপ্তানি করা হয়েছিল। যা মূলত মশালার বাণিজ্যের মাধ্যমে পৌঁছেছিল। প্রাচীন গ্রীস এবং রোমানরা এটি ব্যবহার করত।আদা খেলে ঠান্ডা সেরে যায়।




Leave a reply