বাংলা সাহিত্যের যত সেরা গোয়েন্দারা!

|

বাংলা সাহিত্যের সেরা গোয়েন্দারা

ছোট হোক কিংবা বড়, রহস্য-রোমাঞ্চের প্রতি আমাদের আকর্ষণ চিরন্তন। সেই যে ছোটবেলা থেকে গোয়েন্দা গল্পে মজেছে একবার, সে কি আর ছাড়তে পেরেছে? বাংলার মধ্যে ফেলুদা-ব্যোমকেশ থেকে শুরু করে, বিদেশী সাহিত্য “অবলম্বনে” লেখা তিন গোয়েন্দা পার হয়ে, খোদ বিদেশী গোয়েন্দা শার্লক হোমস-এর সাথে কথা হয়ে গেছে ছেলেবেলাতেই। বিশ্বসাহিত্যের কথা ধরতে গেলে, শুধু গোয়েন্দার নামের তালিকা দিয়েই কুলোনো যাবে না এক পোস্টে। তাই আজকের লেখা শুধু আমাদের, অর্থাৎ বাংলা সাহিত্যের গোয়েন্দা চরিত্রদের নিয়ে। একে একে বাকিরাও জায়গা পাবে।

যেসব গোয়েন্দাদের ছোটবেলা থেকে চিনে এসেছি, মূলত তারাই প্রিয়দের কাতারে শ্রেষ্ঠ হিসেবে রয়ে গেছেন। হ্যাঁ, কালে কালে যে আরও অনেক চরিত্র আসেনি বাংলায়, এমনটা নয়। কিন্তু “বাংলা সাহিত্যের যত গোয়েন্দা” শিরোনামের যেকোনো লেখার সিংহভাগ যারা দখল করে থাকবেন, তাদের প্রায় সবাই আমাদের অতি পূর্বপরিচিত। এক এক করে জেনে নেয়া যাক তাদের স্রষ্টা সহ টুকটাক তথ্য।

ফেলুদা

শুরুতে যে এই নামটিই আসবে, তাতে কি তেমন কোনও সন্দেহ ছিল? পুরো নাম “প্রদোষ চন্দ্র মিত্র” হলেও আমরা তাকে ফেলুদা বলেই চিনি। এক কিংবদন্তী সত্যজিৎ রায়-এর লেখা আরেক কিংবদন্তী, ফেলুদা’র প্রথম গল্প প্রকাশিত হয় ১৯৬৫ সালে। ৬ ফিট ২ ইঞ্চি গড়নের সাতাশ বছর বয়সী ফেলুদা মার্শাল আর্টে দক্ষ। কিন্তু অস্ত্র হিসেবে তিনি তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাটা ব্যবহার করতেই বেশি পছন্দ করেন। সার্বক্ষণিক সঙ্গী তোপসে আর লেখক বন্ধু লালমোহন গাঙ্গুলী, ওরফে জটায়ু… এদেরকে নিয়ে তিনি রহস্য সমাধান করে বেড়ান। তুখোড় বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও বিস্তর পড়াশোনা ফেলুদাকে প্রায়ই যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে সাহায্য করে।

ফেলুদার অধিকাংশ বইয়ের প্রচ্ছদ সত্যজিৎ রায়ের নিজের আঁকা। ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত সবমিলিয়ে চল্লিশটির মত গল্প-উপন্যাস ফেলুদা’কে নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। তার গল্প নিয়ে বেশ কিছু চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে এ পর্যন্ত।

ব্যোমকেশ

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্ট “ব্যোমকেশ” চরিত্রটির জনপ্রিয়তা ফেলুদা থেকে কোনও অংশেই কম নয়, বরং কিছু ক্ষেত্রে বেশি। পুরো নাম ব্যোমকেশ বক্সী, গোয়েন্দা হলেও নিজেকে “সত্যান্বেষী” হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। তার শুরুটাও “সত্যান্বেষী” উপন্যাসের মধ্য দিয়ে। ধারালো নাক, বুদ্ধিদীপ্ত চেহারার ব্যোমকেশ-এর রয়েছে আশ্চর্য বিশ্লেষণী ক্ষমতা। কথা বলে কম, নিজের মনোভাব লুকিয়ে রাখতে দক্ষ। সঙ্গী হিসেবে বন্ধু অজিতকে সাথে নিয়ে একের পর এক রহস্য সমাধান করে বেড়ান। তেমনই এক অভিযানে পরিচয় হয় সত্যবতী’র সাথে, ক্রমে তা পরিণয়ে গড়ায়। ১৯৩২ থেকে শুরু করে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত ব্যোমকেশ’কে নিয়ে লেখা শরদিন্দু’র গল্প ৩৩টি। পরবর্তীতে এই তুখোড় গোয়েন্দাকে নিয়ে বহু সিরিজ, চলচ্চিত্র বানানো হয়েছে।

কাকাবাবু

“গোয়েন্দা” বলতে সাধারণত যেমন একটা আন্দাজ আসে, কাকাবাবু-কে দেখলে সেই ভাবনা কিছুটা হোঁচট খাবে বৈকি। ক্রাচে ভর দিয়ে চলা কাকাবাবু ওরফে রাজা রায়চৌধুরীকে তাই বলে কোনও অংশে পিছে রাখা যাবে না। উনার হাতের যা জোর, বাবা! সাথে তার শান্ত, পড়াশোনালব্ধ অতি তীক্ষ্ণধর মগজ তো রয়েছেই। সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে আছে তার ভাইপো সন্তু, কারাটে থেকে শুরু করে গুলি চালানোতেও দক্ষ সে। বন্ধু জোজো-কে নিয়ে কাকাবাবুর সঙ্গে প্রায়ই অভিযানে নামে তারা। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা এ চরিত্রটি নিয়ে সর্বপ্রথম গল্প “ভয়ঙ্কর সুন্দর” প্রকাশিত হয় ১৯৭৯ সালে। ২০১২ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কাকাবাবু’কে নিয়ে ৩৬টি উপন্যাস ও ৬টি গল্প লিখে গেছেন তিনি। এছাড়া বেশক’টি চলচ্চিত্র আছে কাকাবাবুর বিভিন্ন অভিযান নিয়ে।

কিরীটী রায়

নীহাররঞ্জন গুপ্ত’র লেখা কিরীটী অমনিবাসে আমরা দেখা পাই ছ’ ফুট উচ্চতার, ফিটফাট ও চৌকস চেহারার গোয়েন্দা কিরীটী রায়-কে। “কালোভ্রমর” উপন্যাসে তার প্রথম আগমন ঘটে। স্ত্রী কৃষ্ণা, সহকারী সুব্রত ও ড্রাইভার হীরা সিং-কে নিয়ে তার রহস্য উন্মোচনের গল্প। কিরীটী অমনিবাস-এর অনেকগুলো গল্প ছাড়াও চরিত্রটি নিয়ে এ পর্যন্ত চারটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে।

অর্জুন

১৯৮৪ সালে সিরিজের প্রথম বই খুনখারাবি-তে অর্জুনের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেন বিখ্যাত লেখক সমরেশ মজুমদার। পুরো নাম অর্জুন রায়, নিজের গোয়েন্দা চরিত্রকে পরিচিতি না দিয়ে সত্যসন্ধানী হিসেবে থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি। অর্জুনের শহর জলপাইগুড়ি, এবং তার অধিকাংশ কাহিনীই উত্তরবঙ্গে। সিরিজে তার গুরু হিসেবে আছেন প্রাক্তন গোয়েন্দা অমল সোম। বেশক’টি অর্জুন সমগ্রে তার উপস্থিতির পাশাপাশি একটি চলচ্চিত্রেও অর্জুনের গোয়েন্দা কাহিনীর দেখা পাই আমরা।

মিতিন মাসি/গোয়েন্দা গার্গী

একসাথে লেখার কারণ, বাংলা সাহিত্যে সর্বসাকুল্যে এই দুজন ছাড়া আর কোনও নারী গোয়েন্দার দেখা পাওয়া যায়নি খুব একটা। চরিত্র দু’টির স্রষ্টা যথাক্রমে সুচিত্রা ভট্টাচার্য ও তপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

কলকাতার ঢাকুরিয়ায় থাকেন প্রজ্ঞাপারমিতা মুখার্জী ওরফে মিতিন মাসি। সহকারী হিসেবে বোনঝি টুপুন-কে নিয়ে তিনি রহস্য সমাধানে ব্যস্ত থাকেন। অপরাধ বিষয়ক সকল ক্ষেত্রে তার অগাধ জ্ঞান, কারাটেও জানেন এবং সাথে একখানা রিভলবারও রাখেন! তাছাড়া রান্নাতেও মিতিন মাসি বেশ পটু। পুলিশের ডিআইজি অনিশ্চয় মজুমদার প্রায়ই অনিশ্চয়তায় পড়ে পরামর্শ নিতে আসেন তার কাছে। প্রথম উপন্যাস, “পালাবার পথ নেই।” এরপর একে একে পনেরোটির মত উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে তাকে নিয়ে। অনেকদিন ধরে চলচ্চিত্র আসার কথা থাকলেও নানা কারণে তা পিছিয়ে, অবশেষে গেলো অক্টোবরে কোয়েল মল্লিক অভিনীত “মিতিন মাসি” ছোটপর্দায় মুক্তি পেয়েছে।

অন্যদিকে, তপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা গোয়েন্দা গার্গি’র পুরো নাম গার্গী ব্যানার্জী। কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের ছাত্রী গার্গী মূলত শখের গোয়েন্দা। তাকে নিয়ে ত্রিশেরও বেশি উপন্যাস লিখেছেন লেখক, চলচ্চিত্রে এসেছে দু’বার। গোয়েন্দা গার্গী’র বেশিরভাগ গল্পই আবার প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। প্রায়ই অযাচিতভাবে রহস্যে জড়িয়ে পড়ে, বুদ্ধির জোরে ছুটে আসাটা গার্গীর অভ্যাস।

মিসির আলি

ওপার বাংলার গোয়েন্দা দিয়ে শুরু করেছিলাম, তাই এপারের সবচেয়ে প্রিয়গুলোতে পৌঁছুতে দেরি হয়ে গেলো। তাতে অবশ্য মিসির আলি’র কিছু কিছু এসে-যাবে না। উনি আবার জনপ্রিয়তা একদম পছন্দ করেন না, নিভৃতে থাকতেই ভালবাসেন। গতানুগতিক অর্থে মিসির আলি ঠিক গোয়েন্দা নন; বরং যুক্তিনির্ভর, তীক্ষ্ণবুদ্ধি সম্পন্ন একজন প্রফেসর। তিনি বিশ্বাস করেন অতিপ্রাকৃত বলে কিছু নেই, এবং তার গল্পগুলোয় যুক্তির মাধ্যমে এসবের সাথেই তার বাকবিতণ্ডা চলে। তর্কসাপেক্ষে বাংলার সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ-এর সৃষ্ট এই চরিত্রটি তুমুল পাঠকপ্রিয়।

মনস্তাত্ত্বিক, অতিপ্রাকৃত জগতের সাথে মিসির আলি’র গল্পগুলো অন্য একটা ধারা এনে দিয়েছে আমাদের। “দেবী” উপন্যাসে সর্বপ্রথম মিসির আলি’কে দেখা যায়, পরবর্তীতে দেবী নিয়ে বেশ কিছু নাটক ও একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। সবমিলিয়ে প্রায় বিশটির মত উপন্যাসে মিসির আলি’র গল্প, তার যুক্তির উপস্থাপনা এবং একইসাথে আবেগের আশ্চর্য সহাবস্থান, যে কোনও পাঠককে আটকে ফেলতে বাধ্য।

তিন গোয়েন্দা

গোয়েন্দাদের আলাপ চলবে, আর সেই লস অ্যাঞ্জেলসের রকি বীচে থাকা আমাদের অতিপ্রিয় কিশোর-মুসা-রবিন আসবে না, তা কি হয়? সম্ভবত আমাদের অধিকাংশের বই পড়ার হাতেখড়ি হয়েছে “তিন গোয়েন্দা” দিয়ে। রকিব হাসান-এর লেখা অত্যন্ত জনপ্রিয় এই কিশোর গোয়েন্দা সিরিজ অবশ্য পুরোপুরি মৌলিক নয়, কিছুটা বিদেশী গল্প অবলম্বনে লেখা। শুরু থেকে অধিকাংশই লিখেছেন রকিব হাসান, পরে চালিয়ে গেছেন শামসুদ্দিন নওয়াব। এখানে এই সিরিজের গল্প, লেখক ইত্যাদি নিয়ে অনেক আলাপ আছে; সেসবের দিকে না গিয়ে বরং সরাসরি তিন গোয়েন্দার কাছে ফেরা যাক।

পুরনো লোহালক্কড়ের জঞ্জালের নিচে তিন গোয়েন্দা’র হেডকোয়ার্টার, সেখান থেকেই রহস্য সমাধান করে বেড়ায় তারা অ্যামেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে। আছে তুখোড় বুদ্ধিসম্পন্ন কিশোর পাশা, ব্যায়ামবীর মুসা আমান, এবং বইপড়ুয়া নথি-রবিন মিলফোর্ড। তাদের ব্যাপারে বেশি কিছু বলার প্রয়োজন হয় না; কৈশোরে তিন গোয়েন্দা না থাকলে কি হত, সেটি বরং চিন্তার। এদের সাথে পরিচয় না হলে পড়ার শুরুটা অপূর্ণ থেকে যেতো নিঃসন্দেহে।

মাসুদ রানা

অতি পরিচিত ডায়ালগ… “টানে সবাইকে, কিন্তু বাঁধনে জড়ায় না।” পাঠক নিশ্চয় বুঝে গেছেন কার কথা বলছি। হ্যাঁ, বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের দুর্ধর্ষ স্পাই, রানা এজেন্সির কর্ণধার, ফুলের মত চরিত্রবান(!) আমাদের প্রিয় মাসুদ রানা। পাঁচ ফুট এগারো ইঞ্চি, পেটানো শরীর আর নিষ্ঠুর কিন্তু আকর্ষণীয় চেহারার মাসুদ রানা মুলত অ্যাকশন নির্ভর গোয়েন্দা। সারা পৃথিবীতে ধুন্ধুমার একের পর এক অভিযান চালিয়ে যায় সে, রহস্যের এমন কোনও ধরণ নেই যার মোকাবেলা সে করেনি।

সেবা প্রকাশনীর স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন মাসুদ রানা-কে নিয়ে এ পর্যন্ত বই লিখেছেন চারশো’রও বেশি। তিন গোয়েন্দার মত এটিও অবশ্য বিদেশী কাহিনী অবলম্বনে মৌলিক লেখা। রানা’র সহায়ক চরিত্রের জায়গায় আছেন মেজর জেনারেল রাহাত খান, একইসাথে তার গুরু এবং কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের প্রধান। আছে সোহেল, সোহানা যারা প্রায়ই রানা’র সাথে অভিযানে অংশ নিয়ে থাকে। বহু আলাপ-আলোচনার পর সম্প্রতি জাজ মাল্টিমিডিয়া মাসুদ রানা’কে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজে নেমেছে।

জেফরি বেগ

এ পর্যন্ত উল্লিখিত গোয়েন্দাদের মধ্যে তুলনামূলক সাম্প্রতিক সময়ের এই জেফরি বেগ। তবুও লেখায় আসার কারণ, এপার বাংলার সাহিত্যে অল্পক’টি সফল মৌলিক গোয়েন্দা চরিত্রের কথা বললে জেফরি বেগ নিঃসন্দেহে তালিকার শুরুর দিকে থাকবে। লেখক নাজিম উদ্দিন, বাতিঘর প্রকাশনীর কর্ণধার; জেফরি বেগ ও তার প্রতিপক্ষ বাস্টার্ড(ছদ্মনাম)-কে নিয়ে এ পর্যন্ত জেফরি-বাস্টার্ড সিরিজের মাত্র পাঁচটি বই লিখেছেন। প্রতিটিই তুমুল পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। সিরিজের প্রথম বই “নেমেসিস” প্রকাশিত হয় ২০১০ সালে।

তীক্ষ্ণধার হোমিসাইড ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ মূলত হোমিসাইড, অর্থাৎ খুনের রহস্যের সমাধান করে থাকেন। প্রতিটি পর্বেই তার সাথে টক্কর লাগে আরেক রহস্যময় চরিত্র, বাস্টার্ড-এর। টানটান রোমাঞ্চকর রহস্যভেদের সাথে দুজনের উপভোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা পাঠককে বইয়ের শেষ পর্যন্ত চুম্বকের মত ধরে রাখতে সক্ষম।

বাংলা সাহিত্যের গোয়েন্দা চরিত্রের আলাপ এভাবে করতে গেলে তা শেষ হবার নয়। তাই পরিচিত ও পাঠকপ্রিয় কিছু চরিত্রকে কিছুটা বিশদ তুলে ধরার চেষ্টা। বাকি আরও অনেক রয়ে গেছে, তাদের কয়েকজনকে লেখকের নামসহ নিচে উল্লেখ করা হল।

  • শবর দাশগুপ্ত/গোয়েন্দা বরদাচরণ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
  • পাণ্ডব গোয়েন্দা – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
  • ঋজুদা – বুদ্ধদেব গুহ
  • মহিমচন্দ্র – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • কিকিরা (কিঙ্কর কিশোর রায়) – বিমল কর
  • ভাদুড়ী মশাই – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
  • কেদার ও বদ্রী – ঘনশ্যাম চৌধুরী
  • দস্যু মোহন – শশধর দত্ত
  • কর্নেল নীলাদ্রি সরকার – সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ
  • পরাশর বর্মা – প্রেমেন্দ্র মিত্র
  • পি কে বাসু – নারায়ণ সান্যাল
  • কল্কেকাশি – শিবরাম চক্রবর্তী

লেখকঃ আবিদ মাহমুদ








Leave a reply