বিভাগীয় শহরেও গড়ে তোলা হবে নভোথিয়েটার: প্রধানমন্ত্রী

|

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে একটি করে নভোথিয়েটার গড়ে তোলা হবে। গবেষণায় অনুদানপ্রাপ্ত প্রত্যেককে দেশের জন্য কাজ করতে হবে, সরকার চায় দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে।

বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ও বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পাবনার রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশাপাশি দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আরও একটি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। সে জন্য স্থান বাছাই কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার বা ভাসানী নভো থিয়েটার বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের বিজয় সরনিতে অবস্থিত একটি স্থাপনা। এখানে নভোমন্ডল সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য এবং নভো মন্ডলের ধারণা পাওয়ার জন্য কৃত্রিম নভোমন্ডল তৈরি করা আছে। ৫.৪ একর জায়গায় স্থাপিত নভোথিয়েটারটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পরিচালনায় চলছে।

ইতিহাস
১৯৯৫ সালে গৃহীত সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার এটি স্থাপনের ব্যবস্থা নেন। এর নকশা করেন তৎকালীন গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপপ্রধান আলী ইমাম। নকশাটি ১৯৯৭ সালের ১৭ মার্চ অনুষ্ঠিত একনেকের বৈঠকে অনুমোদিত হয় এবং ২০০০ সালের ১৭ জুলাই এর নির্মাণকাজ আরম্ভ হয়। শুরুতে ঢাকার আগারগাঁওয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের পাশে এটি স্থাপিত হবার কথা ছিল। এর যন্ত্রপাতি স্থাপনসহ ভেতরের সব গুরুত্বপূর্ণ কারিগরী কাজ জাপানের অপটিকস্ ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি করেছে। স্থাপনা নির্মাণ করেছে বাংলাদেশী মাসুদ এন্ড কোম্পানি। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যপক আলমগীর হাবিবের নেতৃত্বে একটি উপদেষ্টা কমিটি নির্মাণকাজ তদারকীতে অংশ নেয়। ২০০০ সালের ১৭ জুলাই থেকে ২০০১ সালের ৭ নভেম্বর পর্যন্ত কাজ করার পর তা বন্ধ হয় এবং পরে ২০০২ সালের মাঝামাঝি পুনরায় চালু হয়ে ২০০৩ সালের মে মাসে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় এবং ২৫ সেপ্টেম্বর তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তা উদ্বোধন করেন। এটির নির্মাণব্যয় ১২০ কোটি টাকা।




Leave a reply