কেটে ফেলা হচ্ছে পুতিনের ‘ডানহাত’!

|

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার মাত্রা এক ধাপ বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার বাইডেন সরকার চড়াও হয়েছে ভ্লাদিমির পুতিনের সহযোগীদের ওপর। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তাদের অর্থকড়ি ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস। রাশিয়ার এই অভিজাত শ্রেণি অর্থ জোগানোর ক্ষেত্রে পুতিনের ডানহাত হিসেবে কাজ করে থাকে। আর সেই অঙ্গচ্ছেদেরই উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির বরাত দিয়ে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের এবারের লক্ষ্য রাশিয়ার অভিজাত শ্রেণি ও তাদের পরিবার। বিশেষ করে যারা পুতিনের কাছের লোক, তাদের ওপর একের পর এক কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে বাইডেন বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য পুতিনের ক্ষমতা হ্রাস করা। পুতিনের ক্ষমতার একটি বড় উৎস রাশিয়ার অভিজাত শ্রেণি। এদের যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে।’

এরই সূত্র ধরে পুতিনের তথ্যসচিব দিমিত্রি পেশকভের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শুধু পেশকভ একাই নয়, তার পরিবারের ২৪ জন সদস্য এই নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নও পেশকভের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

একইভাবে পুতিনের আরেক ঘনিষ্ঠ সহচর আলিশার বুরহানোভিচ ও তার পরিবারের ৪৭ সদস্যের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

গত সপ্তাহের মঙ্গলবার (১ মার্চ) হোয়াইট হাউস এ-সংক্রান্ত এক বিবৃতিতে জানায়, ‘রাশিয়ার অভিজাত শ্রেণি তাদের জনগণের অর্থ আত্মসাৎ করে নিজেদের পকেট ভারী করেছে। এখন সময় এসেছে, এসব দুর্নীতিগ্রস্ত লোক যারা অত্যাচার ও নিপীড়নের মাধ্যমে এতদূর এসেছে, তাদের থামিয়ে দেওয়ার।’

মূলত সুইফট থেকে রাশিয়াকে বের করে দেওয়ার পরপরই পুতিনের অর্থ জোগানের একটি বড় উৎস রাশিয়ার এই অভিজাত শ্রেণির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে যুক্তরাষ্ট্র।

এ ব্যাপারে বাইডেন বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিকভাবে পুতিনকে পঙ্গু করে দেওয়া। আমরা মূলত সে পথেই হাঁটছি।’




Leave a reply