৫ জন বরখাস্ত হওয়ার পর আবারও বোয়িং উড়োজাহাজে ধাক্কা

|

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে (উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের স্থান) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুটি উড়োজাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলীসহ ৫ জনকে বরখাস্ত করার পর আবারও একই ঘটনা ঘটেছে।

এবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজকে ধাক্কা দিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি গ্রাউন্ড সাপোর্ট ইকুইপমেন্ট (জিএসই)।

জানা গেছে, শনিবার রাত ১০টার দিকে বিমানবন্দরে বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজ বে এরিয়াতে অপেক্ষমাণ ছিল। তখন ইউএস-বাংলার একটি জিএসই ডলি-ট্রলি (মালামাল নেওয়ার গাড়ি) বিমানের বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজকে ধাক্কা দেয়। এতে উড়োজাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত ওই উড়োজাহাজ মেরামতের জন্য বোয়িং কোম্পানির অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এ ক্ষতির জন্য যত টাকা প্রয়োজন হবে, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ তা বহন করবে।

এর আগে চলতি বছরের ১০ এপ্রিল বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুটি উড়োজাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এদিন আগে থেকেই বিমানের একটি বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য হ্যাঙ্গারে রাখা ছিলো। এ সময় আরেকটি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ভেতরে প্রবেশ করানো হয়। এতে ৭৩৭ উড়োজাহাজের সামনের অংশের সঙ্গে ভেতরে থাকা ৭৭৭ উড়োজাহাজের পেছনে অংশের সংঘর্ষ বাঁধে। ফলে দুই উড়োজাহাজই ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

এ ঘটনায় বিমানের প্রধান প্রকৌশলী (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স) আলী নাসেরকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি এবং বিমানের চিফ অব সেফটির নেতৃত্বে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়। এ ছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

এরপর বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল ইসলামসহ ৫ জনকে বরখাস্ত করা হয়। অন্য চারজন হলেন-প্রকৌশলী মো. মাইনুল ইসলাম, সৈয়দ বাহাউল ইসলাম, সেলিম হোসেন খান এবং জিএসই অপারেটর মো. হাফিজুর রহমান।




Leave a reply