ইসির নতুন প্রস্তাবে সায় দেননি ব্যাংকাররা

|

নির্বাচনে প্রার্থী হতে ঋণ ও বিল খেলাপিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নতুন প্রস্তাবে সায় দেয়নি ব্যাংক ও সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো।

সোমবার (৬ জুন) নির্বাচন ভবনে ব্যাংক, সেবা প্রতিষ্ঠান, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের শিক্ষকসহ ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

তিনি বলেন, আজ বৈঠকে ঋণ ও বিল খেলাপিদের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা একটা প্রস্তাব করেছিলাম, ঋণ ও বিল আদায়ের জন্য যাদের বিরুদ্ধে কোর্টে মামলা হবে শুধু তাদেরই আমরা ঋণখেলাপি হিসেবে গণ্য করব। তবে ব্যাংকাররা তা মানতে নারাজ, তারা আগের বিধান বহাল রাখার পক্ষে।

বর্তমান আরপিও অনুযায়ী, ঋণ ও বিল খেলাপিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় সিআইবি প্রতিবেদনে যারা খেলাপি হন তারা আর নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ভোটে দাঁড়ানো সবার মৌলিক অধিকার। এতে যেনতেনভাবে কারও অধিকার খর্ব না করার জন্য কমিশন ভিন্ন চিন্তা করছে। নির্বাচন কমিশন চায় ঋণ ও বিল খেলাপিদের আলাদা করতে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকারদের যুক্তি, অনেক ক্ষেত্রে ছোট ছোট ঋণ বা বিল প্রার্থীদের জানা থাকে না। যেমন, কারও ক্রেডিট কার্ডের একটি বিল বাকি, কারও বিদ্যুতের একটি বা দুটি বিল বাকি। তারা হয়তো জানেনও না এগুলো বাকি।

বৈঠকে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়েরর অতিরিক্ত সচিব (ড্রাফটিং) হাফিজ আহমেদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত ডিন সীমা জামান, ঢাকা ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজিজুল হক পান্না, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কান্ট্রি হেড নুর হোসাইন আল কাদেরী, অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (বাজেট) ফারুকুজ্জামান, তিতাস গ্যাসের পরিচালক (অর্থ) অর্পণা ইসলাম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক হাফিজুর রহমান, আইন ও বিচার বিভাগের উপসচিব (প্রশাসন) শেখ গোলাম মাহবুব, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক মাকসুদা বেগম, সোনালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক আব্দুল কদ্দুস, বিটিসিএলের মহাব্যবস্থাপক (ফিন্যান্স অ্যান্ড বাজেট) মাজহারুল ইসলাম, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের স্পেশাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট মীর ইকবাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।




Leave a reply