স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়: দেশে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত কোনো রোগী নেই

|

দেশে মাঙ্কিপক্স ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী নেই বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়।

মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত সন্দেহে এক ব্যক্তিকে রাজধানীর মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর ছড়ানোর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধানের পাঠানো ওই বার্তায় বলা হয়, বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমসহ বেশ কিছু অনলাইন ও ইলেকট্রনিক সংবাদমাধ্যমে ‘দেশে বিদেশি একজন নাগরিকের দেহে মাঙ্কিপক্সের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে’ বলে তথ্য প্রচার হচ্ছে, যা সঠিক নয়। দেশে মাঙ্কিপক্সে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি আক্রান্ত হননি। ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তির আক্রান্তের ঘটনা কখনো ঘটলে তা প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। এ মুহূর্তে দেশে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি নেই।

সম্প্রতি পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার জঙ্গলের ক্ষুদ্রাকৃতির স্তন্যপায়ী প্রাণী ও ইঁদুরজাতীয় প্রাণীর মধ্যে মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এরই মধ্যে গত ৭ মে যুক্তরাজ্যে নাইজেরিয়া থেকে আসা প্রথম কোনো ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কিপক্স ভাইরাস শনাক্ত হয়। এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর খোঁজ মিলেছে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন দেশে।

দুদিন আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, বিশ্বের ৩০টি দেশে এ পর্যন্ত ৭০০ জনের বেশি মানুষের শরীরে মাঙ্কিপক্সের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২১ জনই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

মাঙ্কিপক্ষের উপসর্গ বা লক্ষণ সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ মৃদু। শুরুতে জ্বর, মাথা ও শরীর ব্যাথা, ক্লান্তি অনুভব হতে পারে। লসিকা গ্রন্থি ফুলে যেতে পারে। প্রথম দু-তিন দিনের মধ্যে মুখ হয়ে সারা গায়ে ফুসকুড়ি ওঠতে পারে। যেগুলো দেখতে অনেকটা বসন্তের মতোই লালচে। পরে সেগুলো ক্রমশ জলপূর্ণ দানা আকৃতি নেয় এবং কয়েকদিনের মধ্যেই শুকিয়ে পড়ে যায়। ভাইরাসটি কোনো ব্যক্তির শরীরে দুই থেকে চার সপ্তাহ স্থায়ী হয়। এতে বড় কোনো জটিলতার শঙ্কা থাকে না।




Leave a reply