পোস্টমর্টেম-কে বাংলায় ময়না তদন্ত বলা হয় কেন? বেশিরভাগ লোকেরাই জানে না এর আসল রহস্য, আপনি জানেন তো?

|

দিন দুয়েক আগে কলকাতার নজরুল মঞ্চে কনসার্ট শেষে আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন দেশবরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী কেকে। অতঃপর তাকে হোটেল থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যায় তিনি ম্যাসিভ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট এর কারণে পরলোকগমন করেছেন। এসএসকেএমের মর্গে চিকিৎসকদের ময়নাতদন্তের পর জানা যায় আসল মৃত্যুর আসল কারণ। তবে আপনারা কি কখনো ভেবে দেখেছেন পোস্টমর্টেমের বাংলা ময়নাতদন্ত কেন?

অস্বাভাবিকভাবে বা কোন অজানা কারণে একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের মৃত্যু হলে সেক্ষেত্রে ময়নাতদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর আসল কারণটিকে খুঁজে বের করা হয়। সামান্য সূত্রের হাত ধরে পরিস্ফুটিত করে তোলা হয় মৃত্যুর পেছনে লুকিয়ে থাকা আসল রহস্যটিকে। তবে পদ্ধতিটির সাথে ময়না পাখির মিল কোথায় আজ আমরা আমাদের প্রতিবেদনে জানাবো এই প্রশ্নেরই উত্তর!

হলুদ ঠোঁট বিশিষ্ট কুচকুচে কালো রঙের এই ময়না পাখি 3 থেকে 13 রকমের স্বরে ডাকতে পারে। এই পাখিটি নিজেকে অন্ধকারের কালো আলোয় লুকিয়ে রাখতে পারে ফলতঃ খালি চোখে অন্ধকারে ময়না পাখিকে দেখা যায় না। কেবলমাত্র অভিজ্ঞ মানুষেরাই ময়নার ডাক শুনে অন্ধকারের মধ্যেও পাখিটির চিহ্নিতকরণ করতে পারেন।

এক্ষেত্রে অন্ধকারের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ময়না পাখিকে শুধুমাত্র কণ্ঠস্বর শুনেই যেভাবে নির্দেশিত করতে পারে অভিজ্ঞ চোখ, ঠিক একইভাবে ময়নাতদন্তের মাধ্যমে চিকিৎসকেরা সামান্য সূত্রের হাত ধরে বের করেন মৃত্যুর পেছনে থাকা বড় রহস্যটিকে। ব্যক্তিটির মৃত্যু কিভাবে ঘটেছিল তার নেপথ্যে থাকা কারণটিকে অন্ধকার থেকে আলোয় নিয়ে আসার এই পদ্ধতির নাম “ময়নাতদন্ত” যথার্থই!




Leave a reply