যেভাবে তিনি জাপানের সবচেয়ে দামি JDS স্কলারশিপ অর্জন করলেন

|

জাপান সরকারের অনুদানে এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ পরিচালনায় জাপানের অন্যতম দামি স্কলারশিপ হলো JDS স্কলারশিপ। জাপানের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটিতে ১ থেকে ২ বছরের মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য এই স্কলারশিপ দেয়া হয়। ফুল টিউশন, পরিবার সহ থাকার সুব্যবস্থা, এয়ার ট্রাভেল, গবেষণা এবং অনন্যা আর্থিক সুবিধা দিয়ে বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ২.৫ কোটি টাকার মানের JDS স্কলারশিপ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০১৯ সালে ৩০ জনকে এই স্কলারশিপের জন্য নির্বাচিত করা হয়। প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। প্রার্থীর বয়স অবশ্যই ৪০ বছরের কম হতে হবে। আবেদনের সময় প্রার্থীর কমপক্ষে দুই বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে ব্যাচেলর ডিগ্রি (কোনো থার্ড ডিভিশন থাকা যাবে না) এবং দুইটা ফার্স্ট ডিভিশন অথবা সমমান থাকতে হবে।

তবে স্কলারশিপের জন্য যে বিষয়টা সবার প্রথমে বলা আছে তা হলো ইংলিশের দক্ষতা: স্পিকিং এবং রাইটিং এর দক্ষতা। JDS স্কলার মোঃ আলাউদ্দিন একজন শিক্ষা ক্যাডার। ২০১৯ সালে তিনি এই স্কলারশিপের জন্য মনোনীত হয়ে সেই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সপরিবারে জাপানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন। স্কলারশিপের জন্য নির্বাচিত হওয়ার পরই ফেইসবুকে ইংলিশ টুডের একটা জনপ্রিয় গ্রুপে তিনি একটা ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, এই স্কলারশিপের জন্য যা যা শর্ত ছিল তার সব দিক থেকেই তিনি যোগ্য ছিলেন। শুধু একটা দিকেই তাঁর যথেষ্ট ঘাটতি ছিল। আর সেটা হলো ইংলিশ। স্কলারশিপের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা দেয়া এবং ইন্টারভিউ দেয়া সহ বিভিন্ন পর্যায়ে ইংলিশের দক্ষতার প্রমান দিতে হয়। আর এখানেই ছিল তাঁর দুর্বলতা।

কিন্তু সেটা তিনি কিভাবে কাটিয়ে উঠেছিলেন? তিনি নিজেই বলেন, “ব্যস্ততার জন্য সময় বের করতে পারছিলাম না। তাই অনলাইনে ইংলিশ টুডের CEL কোর্স করতে শুরু করি। বাসা থেকেই ক্লাস করা যায় তাই সুযোগটা নিয়েছিলাম। কোর্সের ফি বেশি ছিল। কিন্তু তাদের অনেক স্টুডেন্ট রিভিউ দেখে এডমিশন নিয়েছিলাম। ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজের সব দিকে দক্ষ করে তুলতে এই কোর্স যে এত শক্তিশালী সেটা শেষ না করলে আমিও বুঝতাম না। অনলাইনে তাদের কোর্স কারিকুলাম অনেক গুছানো এবং সমৃদ্ধ ! আমার এই কৃতিত্বের অংশীদার তারাও।”

২০১৪ সাল থেকেই ইংলিশ টুডে অনলাইনে IELTS সার্ভিস দিয়ে এখন অনেক সুপরিচিত। তাদের ফেইসবুক গ্রুপের পোস্টগুলোতে স্টুডেন্টদের রিভিউ এবং পোস্ট থেকে দেখা যায় তাদের সাকসেস রেট অনেক। বিভিন্ন পেশাজীবীরা সেখানে IELTS সার্ভিস নিচ্ছেন। কিছুদিন আগেও তাদের কোর্স করে IELTS-এ 8 (eight) পাওয়ার পর একজনের লাইভ রিভিউ দেখা গেছে। পাঠক, আপনার স্বপ্নপূরণে ইংলিশ যেন কোনো বাধা না হয় এজন্য এখন থেকেই আপনাকে সচেষ্ট হতে হবে। আপনাকে উদ্যোগী মনোভাব নিয়ে লক্ষ্য স্থির করে এগিয়ে যেতে হবে। ভালো গাইডলাইনের জন্য আপনিও ইংলিশ টুডের গ্রুপে যোগ দিন। তারা আপনাকে ফ্রি ট্রায়াল ক্লাসের সুযোগ দেবে। প্রয়োজন হলে তাদের সার্ভিসও নিতে পারেন। এখানে যোগ দিন: Click here








Leave a reply