পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খাবার তৈরি হয় যেভাবে

|

পৃথিবীতে হরেক রকমের খাবার রয়েছে। তবে সবচেয়ে দামি খাবার হিসেবে ধরা হয় ক্যাভিয়ারকে। আর এটা ‘ধনী লোকের খাবার’ হিসেবে দেখা হয় এবং এটার যথেষ্ট কারণও রয়েছে। মুক্তো আকারের রেশমী টেক্সচারযুক্ত ক্যাভিয়ার কেবল দেখতেই শুধু আকর্ষণীয় নয়, এটার স্বাদ অতুলনীয়।

আর এটি হলো এক প্রকার মাছের ডিম। তবে আপনি কি জানেন, ক্যাভিয়ার একসময় দরিদ্র মানুষের খাবার ছিল? রাশিয়ান জেলেরা তাদের প্রতিদিনের খাবারে ক্যাভিয়ার রাখত। রাশিয়ান জেলেদের দেওয়া নামানুসারে ক্যাভিয়ারকে ‘রো’ নামেও ডাকা হয়। ক্যাভিয়ার কী, এটি কেন এত ব্যয়বহুল? এবং কীভাবে এটি খাবেন তা জেনে নিন।

ক্যাভিয়ার কী: ক্যাভিয়ারকে ‘আনফার্টিলাইজ সল্ট এগ’ বলা হয়। ক্যাভিয়ার মূলত মাছের ডিম যা কেবলমাত্র একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির (স্টার্জন) মাছ থেকে পাওয়া যায়। এগুলো সাধারণত কালো, জলপাই, সবুজ, ধূসর এবং কমলা রঙের হয়। প্রায় ২৬ প্রজাতির স্টার্জন মাছ পাওয়া যায়। ক্যাভিয়ার আহরণের উদ্দেশ্যে স্ত্রী স্টার্জন মাছ বিশেষভাবে রাখা হয়। স্টার্জন মাছ ১০০ বছরেরও বেশি সময় বাঁচতে পারে।

ক্যাভিয়ার যে কারণে ব্যায়বহুল: বিভিন্ন ধরণের ক্যাভিয়ার রয়েছে এবং দামের সীমা ক্যাভিয়ারের ধরণ এবং মানের উপর নির্ভর করে। ৩০ গ্রাম ক্যাভিয়ার পাবেন ৮,০০০-১৮,০০০ হাজার টাকায়। তবে বেলুগা ক্যাভিয়ারটি সবচেয়ে বেশি ব্যয়বহুল। আপনি হয়ত ভাবছেন যে ক্যাভিয়ার কেন এত ব্যয়বহুল? কারণ একটি স্ত্রী স্টার্জন মাছ ডিম উৎপাদন শুরু করতে ১০-১৫ বছর সময় নেয়।

ক্যাভিয়ার কীভাবে খাবেন: ক্যাভিয়ার টোস্ট এবং ক্র্যাকারসের সাথে পরিবেশন করতে পারেন। গার্নিশ হিসেবে ক্রিম, কাটা পেঁয়াজ এবং তাজা গুল্ম যোগ করতে পারেন। সিদ্ধ ডিমের সাথেও ক্যাভিয়ার উপভোগ করতে পারেন। ক্যাভিয়ার কখনই ঘরের তাপমাত্রায় পরিবেশন করা উচিত নয়। এটি বরফের ট্রেতে রেখে পরিবেশন করা উচিত।




Leave a reply