অকালবার্ধক্য প্রতিরোধ করতে যেসব কাজ এড়িয়ে চলবেন, দেখেনিন

|

শুধুমাত্র বয়স নয় নিত্যদিনের অভ্যাসের ওপরেও নির্ভর করে বার্ধক্য কত দ্রুত আসবে। খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, কাজের চাপ, মানসিক অস্থিরতা— সবই অকালে বার্ধক্যকে ডেকে আনে।

ত্বকে বলিরেখা, স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাওয়া, পেশির ক্ষয়, নিস্তেজ ত্বক এবং ক্লান্তি বার্ধক্যের পূর্ব লক্ষণ। এই লক্ষণগুলি দেখা দিচ্ছে মানেই শঙ্কিত হয়ে পড়ার কোনও কারণ নেই। কারণ আগে হোক বা পরে বার্ধক্য অনিবার্য। তবে অকালবার্ধক্যে একেবারেই প্রত্যাশিত নয়। দৈনন্দিন জীবনে অজান্তেই এমন কয়কটি ভুল অনেকে করে ফেলেন। যার ফলস্বরূপ সময়ের আগেই বয়সের ছাপ পড়ে যায় শরীরে।

অকালবার্ধক্য প্রতিরোধ করতে কোন পাঁচটি কাজ এড়িয়ে চলবেন?

সারা দিন বসে থাকবেন না

বাড়ি থেকে কাজ বা অফিসে গিয়ে, বসে কাজ করতেই অভ্যস্ত অধিকাংশ মানুষ। সারা দিন এক ভাবে বসে থাকার ফলে শরীরের সঠিক ভাবে রক্তচলাচলে ঘাটতি পড়ে। ফলে অকালেই শরীরে বয়সের ছাপ এসে যায়। তাই শুধু নয়। ক্যানসার, উচ্চরক্তচাপ, ওজন বৃদ্ধির মতো সমস্যার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে সারা ক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস।

অস্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া

খিদে পেলেই যেকোনো খাবার খাবেন না। বিশেষ করে ফাস্টফুড জাতীয় খাবার। এই খাবারগুলোতে ক্যালোরির পাশাপাশি রয়েছে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, শর্করা, খারাপ কোলেস্টেরলের মতো ক্ষতিকর উপাদান। দীর্ঘদিন তারুণ্য ধরে রাখতে লাগাম টানুন এই ধরনের খাদ্যাভ্যাসে।

মুখ গোমড়া নয়, প্রাণ খুলে হাসুন

কর্মক্ষেত্রে সমস্যা, ব্যক্তিগত জীবনে সমস্যা, চারপাশের অসহিষ্ণু পরিস্থিতি সব মিলিয়ে হাসতেই যেন ভুলে গিয়েছেন মানুষ। সুস্থ ও সুন্দর থাকতে হাসি কিন্তু খুবই জরুরি। হাসার সময়ে এন্ডোরফিন হরমোন ক্ষরিত হয়। যা মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে। বার্ধক্য এড়াতে হাসি মুখ বজায় রাখাটা জরুরি।

সব সময় ঘরের ভিতরে নয়

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বিগত প্রায় দু’বছর ধরে ধারাবাহিক ভাবে বাইরে যাওয়াটা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বাড়ি থেকে কাজ হওয়ায় না চাইলেও ঘরের মধ্যেই থাকতে হচ্ছে। শরীর ও মনের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে নিয়মিত এক বার করে বাড়ির বাইরে যাওয়া উচিত।

ঘুম কম হওয়া

অপর্যাপ্ত ঘুম একাই সময়ের আগে বার্ধক্য ডেকে আনার জন্য যথেষ্ঠ। এক জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের অন্তত দিনে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো প্রয়োজন। এর চেয়ে কম ঘুমালে অল্প বয়সে শরীরে পড়তে পারে বয়সের ছাপ।




Leave a reply