ত্বকের সমস্যায় ব্যবহার করুন তেঁতুলের ফেসওয়াশ আর ম্যাজিক দেখুন

|

রান্নাঘরে তেঁতুলের গ্রহণযোগ্যতা আমরা সকলেই জানি৷ এবার সেই রান্নাঘরেই গন্ডি পেরিয়েই রুপচর্চাকে সম্পূর্ণ করবে তেঁতুল৷ কোন বিশেষ রান্নাতে অতিরিক্ত মাত্রা যোগ করতে ফলটির জুড়ি মেলা ভার৷ কিন্তু, জানেন কী নিমেষে আপনার ত্বকের জৌলুস ফিরিয়ে আনতে পারে তেঁতুল? মাড়ম্যাড়ে জেল্লাহীন ত্বককে মুহুর্তে বানাবে গ্লোয়িং, আকর্ষণীয়৷ তাই, এবার ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলুন তেঁতুলের ফেসওয়াশ৷

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে সেই ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে৷ কখনও চামড়া ঝুলে যাওয়ার সমস্যা তো কখনও জেদি দাগের সমস্যা৷ ত্বকের সমস্যা যেন পিছু ছাড়ে না৷ কিন্তু, এই ধরণের সমস্যাকে এক চুটকিতে দূর করবে রান্নাঘরের এই অতি সাধারণ উপাদানটি৷ যেটির নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে সফট, গ্লোয়িং এবং সুন্দর৷ শুধু তাই নয়, যৌবনকেও ধরে রাখতে সক্ষম এই উপাদান৷

পটাশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালশিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়ামের মত উপাদানগুলি প্রচুর পরিমানে থাকে তেঁতুলের মধ্যে৷ অনেকেই হয়ত জানেন না, তেঁতুলের মধ্যে প্রোটিনের পরিমানও থাকে যথেষ্ট পরিমানে৷ এছাড়াও, তেঁতুলের মধ্যে অ্যাসিড জাতীয় উপাদান থাকার জন্য এটি খুব ভাল ফেস ক্লিনার এবং টোনারের কাজ করে৷ ত্বককে হেলদি রাখতে ত্বককে ডিপ ক্লিন করাটাও ভীষণ জরুরি৷

কীভাবে বানাবেন তেঁতুলের ফেসওয়াশ? প্রথমেই আসা যাক উপাদানের বিষয়ে৷ ট্যামারিন্ড ফেসওয়াশ তৈরির উপাদান খুবই কম৷ তেঁতুলের জুস (দুই চামচ), মধু (এক চামচ), দই (এক চামচ), আমন্ড ওয়েল (এক চামচ), গোলাপ জল (এক চামচ), ভিটামিন-ই পাওডার (হাফ চামচ)৷ এই হল ফেসওয়াশ তৈরির গুটিকয়েক উপাদান৷ এবার প্রণালী৷ তেঁতুলের সঙ্গে দই ভালভাবে মিশিয়ে নিন৷ মিশ্রণটিতে ভিটাইন-ই যোগ করুন৷ এবার অন্য একটি পাত্রে গোলাপ জল, মধু এবং আমন্ড ওয়েল নিয়ে একটি মিশ্রণ বানান৷ সেটিকে আগের মিশ্রণটির সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন৷ ব্যাস! এবার রেডি আপনার ট্যামারিন্ড ফেসওয়াশ৷ মিশ্রণটিকে একটি এয়ারটাইট পাত্রে ভরে রাখুন৷




Leave a reply